হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সৃষ্টির ফাউন্ডেশন – শাহসূফী খাজাবাবা ফরিদপুরী (রাঃ) ছাহেব

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সৃষ্টির ফাউন্ডেশন - শাহসূফী খাজাবাবা ফরিদপুরী (রাঃ) ছাহেব sufibad24

শাহসূফী হযরত খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেব ফরমান, “হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সৃষ্টির ফাউন্ডেশন।” হযরত রাসূল (সাঃ)কে সৃষ্টি না করিলে মহান খোদাতায়ালা আসমান-জমিন তথা কোনো কিছুই সৃষ্টি করিতেন না। আল্লাহতায়ালা ফরমান,” [হে মুহাম্মদ (সাঃ]! আমি যদি আপনাকে সৃষ্টি না করিতাম, তাহা হইলে আসমান, জমিন তথা কিছুই সৃষ্টি করিতাম না।” মহান খোদাতায়ালা পরিচিত হইবার মাধ্যম ই রাসূল (সাঃ)। রাসূল (সাঃ)কে সৃষ্টি না করিলে মহান খোদাতায়ালা গোপনই থাকিতেন। মহান খোদাতায়ালা সর্বপ্রথম রাসূল (সাঃ) এঁর নূর মোবারক সৃষ্টি করেন সেই সম্পর্কে হযরত পীর কেবলাজান পবিত্র নসিহত শরীফের ৮ম খন্ডের ১১৮ নং পৃষ্টায় ফরমান, “হযরত আলী…

শাহ নেয়ামাতুল্লাহ ওয়ালী (রহঃ) এর ভবিষ্যৎবাণী

শাহ নেয়ামাতুল্লাহ ওয়ালী (রহঃ) এর ভবিষ্যৎবাণী : বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং গাজওয়াতুল হিন্দ sufibad

হযরত শাহসূফী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেব ফরমান, “ওলীয়ে কাশ্মিরী হযরত নেয়ামতউল্লার ভবিষ্যদ্বাণীর কথা সর্বজনবিদিত। আজ থেকে সাতশত (৭০০) বছরের অধিককাল পূর্বে তিনি জগতের বিভিন্ন ঘটনার উপরে বহু ভবিষ্যদ্বানী করেন, যাহা সবই বাস্তবে রূপ লাভ করিয়াছে। তিনি প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ, এমনকি তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধ সম্পর্কেও ভবিষ্যৎবাণী করিয়াছিলেন। প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ সম্পর্কে যা যা বলিয়াছিলেন, তাহা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবে প্রতিফলিত হইয়াছে। বাকী বাণী সমূহ বাস্তবায়িত হইবে-ইহাতে কোন সন্দেহ নাই। কারন ওলীয়ে কাশ্মিরী হযরত নেয়ামত উল্লাহ (রঃ) ছাহেব আলমে মেছালে সংরক্ষিত ঘটনাবলীর ছুরাত দেখিয়াই ভবিষ্যদ্বানী করিয়াছিলেন-তাই তাহার…

আদব কি ?

আদব কি ?

পীরের হাতে মুরীদকে এমন ভাবে থাকিতে হয় যেমন ধৌতকারীর হাতে মূর্দা থাকে।ধৌতকারীর নিকটে মূর্দা বা শবদেহের যেমন কোন ইচ্ছা-অনিচ্ছা থাকে না, ধৌতকারী মুর্দাকে যেমন ভাবে নাড়ায়, মূর্দা বা শবদেহ সেই ভাবেই নড়ে;তোমরা যাহারা খোদাতায়ালাকে পাইতে চাও,পীরের হাতে তেমনি শবদেহ বা মুর্দার মতই থাক। ইহাই আদব। পীরের ইচ্ছায় নিজের ইচ্ছাকে বিলীন করিতে হয়। পীর যখন যাহা নির্দেশ দান করেন, কাল বিলম্ব না করিয়া তাহা পালন করিতে হয়। পীরকে ভক্তি শ্রদ্ধা সবচেয়ে বেশী করিতে হয়।কারণ দুনিয়ার সমস্ত ঋণ পরিশোধ করা গেলেও পীরের ঋণকে পরিশোধ করা যায় না। পীরের তাওয়াজ্জুয়ে এত্তেহাদীর বলেই মুরীদের…

বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের পটভূমি এবং আমার জীবনের দু’টি কথা

বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের পটভূমি এবং আমার জীবনের দু'টি কথা

বিশ্ব জাকের মঞ্জিল আল্লাহ ও রাসূলে পাক (সাঃ) এর মহা দান, বিশ্ব মানবের জন্য খোদাপ্রাপ্তির প্লাটফর্ম, আধ্যাত্মিক শিক্ষাকেন্দ্র। দেশের সর্বত্র থেকে এখানে মানুষ আসে। আসে আত্মোপলব্ধির তাড়নায়, আসে নিজেকে চিনিবার জন্য, আসে খোদাতায়ালাকে চিনিতে, জানিতে বা বুঝিতে। আজ শুধু দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেই নয়; পৃথিবীর সর্বত্র থেকেই লোক আসে। তাহারা আসে আল্লাহ ও রাসূল (সাঃ) এর মহব্বত অর্জনের জন্য, আসে আল্লাহ ও তদীয় রাসূল (সাঃ) এর শাশ্বত প্রেমের শরাব পানের জন্য। বিশ্ব জাকের মঞ্জিল জাতির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান। এখানের সমস্তই মানব কল্যাণের জন্য। এই বহুমুখী প্রতিষ্ঠানে…

‘জাকের ক্যাম্প’ হইতে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল-ইহা এক বিরাট ইতিহাস

‘জাকের ক্যাম্প' হইতে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল-ইহা এক বিরাট ইতিহাস

প্রথমে আমি যেদিন আটরশিতে আসি-সেইদিন ছিল কোরবানীর ঈদের দিন। আমি দেখিলাম, সেই ঈদের দিনে লোকজন লাঙ্গল-জোয়াল লইয়া মাঠে যাইতেছে। এখানে নামাজ ছিল না-সমাজ ছিল না। ধনী, মানী, জ্ঞানী, গুণী লোক ছিল না। গরু কোরবানী হইতো না। গরুর গোস্তকে এই এলাকার মোসলমানেরা অস্পৃশ্য মনে করিত। ইসলাম কি-তাহারা জানিত না। পার্শ্বেই ছিল হিন্দু জমিদারের বাড়ী। এই এলাকার মোসলমানগণ জমিদার বাড়ীর পূজায় অংশ গ্রহণ করিত; পূজার প্রসাদ খাইত। তাহারা হিন্দুয়ানী রীতিকে ভালবাসিত। হিন্দুয়ানী রীতিতেই চলিত। ইসলামী আদর্শ ও মূল্যবোধ তাহাদের কাছে অপরিচিত ছিল। আমার মনে হয়, আটরশির মত এত নিকৃষ্ট গ্রাম বাংলাদেশে আর…

জাকের পার্টি সম্পর্কে বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরীর অবিস্মরণীয় নসিহত

জাকের পার্টি

“এই নক্শবন্দীয়া মোজাদ্দেদীয়া দপ্তর, জাকের পার্টি – এইটা মুসা (আঃ) কে আল্লাহ বলছিলেন, যে তুমি একটা ক্ষীমা তৈরি কর। তুমি একটা বেড়িকেড তৈরি কর। তার ভিতরে তুমি তোমার মুরীদানদের নিয়া থাক। তুফান আসতেছে। তিনি বিশাল কইরা একটা ক্ষীমা তৈরি করলেন। বিশাল কইরা বেড়িকেড তৈরি করলেন। তৈরি কইরা তিনি তার সমস্ত জিনিসপত্র, পরিবার নিয়া তার উম্মত নিয়া, তিনি সেই বেড়িকেডের ভিতর রয়ে গেলেন। সেই ক্ষীমার ভিতর রয়ে গেলেন। ক্ষীমার বাহিরে যারা ছিল, তাদের উড়াইয়া নিয়া গেল বাতাসে। আর ক্ষীমার ভিতরে যারা ছিল, তাদের একটা পশমও নড়লো না। অতএব, পীরের এই যে…

সূফীদের রোজা

Sufibad com

“হে মুমিনগন! তোমাদের জন্য সিয়ামের বিধান দেওয়া হলো, যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীগনকে দেওয়া হয়েছিল, যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পার।” – সূরা বাকারাঃ ১৮৩   রোজা পালন করা একটু কষ্টসাধ্য কাজ। তাই আল্লাহপাক প্রথমেই অতি আদরে ডাকলেন, ” হে ঈমানদারগন! তারপর রোজার উদ্দেশ্যে হলো, “আমাদেরকে মোত্তাকি মুমিন বানানো। তরিকতের পরিভাষায় মোত্তাকি হলো মানব স্তরের ২৭টির মধ্যে ৫ম স্তর। ১ম স্তর সাধারন মানুষ, ২য় স্তর মুমিন, ৩য় স্তর সাধারন ওলী, ৪র্থ স্তর শহীদ, ৫ম স্তর মোত্তাকি।   হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্নিত, রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেন, ” সিয়াম ঢাল স্বরুপ। তোমাদের…

আসরের নামাজ ও তওবা কবুলিয়তের ফয়েজ

আসরের নামাজ ও তওবা কবুলিয়তের ফয়েজ

খোদাপ্রাপ্তি জ্ঞানের আলোকে বিশ্বওলী হযরত শাহসূফী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেবের নসিহত। আসরের নামাজ ও তওবা কবুলিয়তের ফয়েজঃ খেয়াল কালবে ডুবাইয়া আল্লাহতায়ালাকে হাজের নাজের ওয়াহেদ জানিয়া হুজুরে কালবে আসরের নামাজ আদায়ান্তে তওবা কবুলিয়তের ফয়েজ খেয়াল করিবে। এই আসরের নামাজের সময়েই আল্লাহপাক হযরত আদম (আঃ) এর তওবা কবুল করিয়াছিলেন এবং মাগরিবের সময়ে বাবা হযরত আদম (আঃ) তাহার তওবা কবুলিয়তের সংবাদ পাইয়াছিলেন। তাই আসর হইতে মাগরিব নামাজের সময় পর্যন্ত তওবা কবুলিয়তের ফয়েজ ওয়ারেদ হয়। এখনও হজ্বের সময়ে হাজীরা আরাফাতের মাঠে জোহর ও আসরের নামাজ একত্রে আদায় করিয়া নামাজ শেষে তওবা করেন। কাজেই তােমরা…

ওছিলা ধরিবার নিয়ম

ওছিলা ধরিবার নিয়ম

খোদাপ্রাপ্তি জ্ঞানের আলোকে বিশ্বওলী হযরত শাহসূফী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেবের নসিহত। ওছিলা ধরিবার নিয়মঃ প্রথমে আপন আপন চক্ষুদ্বয়কে বন্ধ করিবে। খেয়ালকে সবদিক হইতে ঘুরাইয়া এককালীন দেল দরিয়ায় ডুবাইবে এবং আল্লাহতায়ালাকে অনুসন্ধান করিবে। আল্লাহপাক বলেন, ” ওয়া ফি আন ফুছেকুম আফালা তুবছেরুন”- আমার নিদর্শনতাে তােমাদের মধ্যেই আছে, তােমরা দেখ না কেন? (সূরা জারিয়াতঃ ২১) খােদাতায়ালার নিদর্শন দেখিবার জন্য দেল দরিয়ায় ডুব দিবে। কিন্তু অছিলা ব্যতীত একা একা কম্মিনকালেও দেল সমুদ্রে খেয়ালকে ডুবাইতে পারিবে না। এখানে প্রয়ােজন ওছিলা বা মাধ্যমের। আল্লাহপাক তদীয় কালামপাকে বলেন, “হে ঈমানদার বান্দা সকল! তােমরা আল্লাহকে ভয় কর…

হকিকতে কা’বা সম্পর্কীয় আলোচনা

হকিকতে কা'বা সম্পর্কীয় আলোচনা sufibad

খোদাপ্রাপ্তি জ্ঞানের আলোকে হযরত শাহ্সূফী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেবের নসিহতঃ পবিত্র কা’বা শরীফের আর এক নাম হল “বায়তুল্লাহ” বা আল্লাহতায়ালার ঘর বা গুঞ্জায়েশ স্থল। আর হকিকতে কা’বা অর্থ আল্লাহতায়ালার গুঞ্জয়েশ স্থলের গুণগত অবস্থা। আল্লাহতায়ালার আবাসস্থল কোনটি ? আল্লাহ বলেন, “আসমান, জমিন কোথাও আমার গুঞ্জায়েশ হয় না, মু’মিন বান্দার দেল ব্যতীত।” তাহা হইলে যে মু’মিন বান্দার দেল আল্লাহতায়ালার গুঞ্জায়েশস্থল সে মু’মিন বান্দার দেল ও মক্কার কা’বার মধ্যে মিল ও পার্থক্য কি ? উহাদের হকিকতই কি ? আল্লাহপাক পবিত্র কা’বা শরীফ সম্পর্কে বলেন, অর্থাৎ- “যে ব্যক্তি এই ঘরে প্রবেশ করিলেন, তিনি শান্তির…