খাজা বাবার অলৌকিক কারামত

sufibad com

১৯৮১ সনে বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে অনুষ্ঠেয় মহা পবিত্র উরস শরীফের জন্য প্রথমবারের মতো পাকিস্তানে বসবাসরত জাকেরান আশেকান তথা বিশ্বওলী খাজাবাবা হযরত ফরিদপুরী (কুঃ ছেঃ আঃ) ছাহেবের পাকিস্তানী মুরীদগণ ২৫টি উট হযরত কেবলাজান হুজুরের খেদমতে নজরানা হিসেবে প্রেরণের জন্য আবেদন পেশ করেন। হুজুর পাকের সদয় অনুমতি এবং সরকারী নিয়মকানুন এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে যথারীতি উট আনার জন্য চারজন করিৎকর্মা ও সাহসী জাকেরকে দায়িত্ব দিয়ে পাকিস্তানে পাঠানো হলো। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ড্রাইভার আব্দুর রাজ্জাক। বাকী তিনজন হলেন মেজর (অবঃ) হাসান, আব্দুর রশিদ এবং বাচ্চু ভাই। তারা প্রথমে করাচী এবং পরে…

বহলুল পাগলার বেহেশত বিক্রি

বহলুল sufibad24 com

আমার প্রানের মুর্শিদ বিশ্বওলী হযরত খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেবের ধারনকৃত পবিত্র কন্ঠ মোবারকে বহলুল পাগলার বেহেশত বিক্রির নসিহত আমরা শুনেছি। একটু বিস্তারিত বলার ক্ষুদ্র চেষ্টাঃ আব্বাসীয় বংশের পঞ্চম খলিফা হারুনুর রশিদ। বাগদাদে তিনি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিবেন। কিন্তু কাকে প্রধান বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ দেয়া এ নিয়ে তিনি তার সভাসদদের সাথে পরামর্শ সভা করলেন। সবাই এক বাক্যে বললো, ” ওহাব ইবনে উমার অর্থাৎ বহলুলের চেয়ে এই পদের যোগ্য আর কেউ নেই। কারন তিনি একজন নামকরা আলেম ও ফকীহ ব্যক্তি। সবার পরামর্শে খলিফা হারুন বহলুলকে ডাকলেন। তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “ফকীহ সাহেব!!…

এক হত দরিদ্র যুবক

এক হত দরিদ্র যুবক sufibad

এক হত দরিদ্র যুবক নতুন ব্যবসায় দিয়েছেন। প্রতিদিন ২৫ পয়সা, ৫০ পয়সা করে আপন পীরের জন্য ব্যবসা করে জমায়। মাস শেষে ছোট একটা পুটলি করে টাকা গুলো দরবার নিয়ে আসলো। পীর কেবলাজানের স্বাক্ষাতের সময় সামনে গেলে পীর কেবলাজানের হাত মুবারক পুটলিটা দিলেন। পীর কেবলাজান বললেন, কি এগুলো বাবা! যুবক বললো, হুজুর আমি হত দরিদ্র মানুষ অল্প অল্প করে টাকা গুলো জমিয়েছি। হুজুরপাক বললেন, বাবা! কত টাকা হবে? যুবক বললো, ” হুজুর ১৫-১৬ টাকা হবে।” হুজুর কেবলাজান পুটলি নিজের কাছে রেখে দিলেন যতক্ষন স্বাক্ষাত দিচ্ছিলেন খাদেমদের হাতে দিলেন না। স্বাক্ষাত শেষে উঠে…

রংপুরের জাকের ভাই

রংপুরের জাকের ভাই sufibad

রংপুর জেলায় খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেবের একজন মুরিদ থাকতেন। তিনি ব্যবসা করতেন। ব্যবসার কাজে তাকে নানা সময় বিভিন্ন দিকে যাতায়াত করতে হতো। একবার ব্যবসায়িক কাজে তিনি বাড়ী থেকে দুরবর্তী এক বাজারে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফিরতে ফিরতে তার অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল। অন্ধকার রাত, জংগলের ভিতর দিয়ে পথ। তিনি একা একা হাটছেন, মনে মনে একটু ভয়ও পাচ্ছিলেন। তবু হেটে চলেছেন। এমন সময় শুনতে পেলেন পিছন থেকে কে যেন তাকে ডাকছে আর বলছে, “দাঁড়াও বাবা, আর যেওনা”। তিনি বিষয়টিকে মনের ভ্রম মনে করলেন এবং হাঁটতে থাকলেন। আবার একই কন্ঠ, একই আহবান। তিনি…