নবীজি (সাঃ) এর ছুরুত কয়টি ও কী কী

নবীজি (সাঃ) এর ছুরুত কয়টি ও কী কী

নবীজি (সাঃ)এর ছুরুত মোবারক তিনটি।
১. ছুরুতে হাক্কী।
২. ছুরুতে মালাকী।
৩. ছুরুতে বাশারি।

১. ছুরুতে হাক্কী মি’রাজ রজনীতে
প্রকাশ হয়েছে। যেখানে নূরের তৈরি
ফেরেস্তা জিব্রাঈল (আঃ) সিদরাতুল
মুন্তাহার পরে আর যেতে পারে না।
জিব্রাঈল(আঃ) বলেন।
ﻻ ﺍﻗﺪﺭ ﻭﻟﻮﺧﻄﻮﺕ ﺧﻄﻮﺓ ﻻﺣﺘﺮﻗﺖ
অর্থ- হুজুর! আমি আর যেতে পারবোনা, যদি এক পা অগ্রসর হই, তাহলে আমার ছয়শত নূরের পাখা জ্বলেপুড়ে ছাই হয়ে যাবে।
সেখানে আমাদের নূরের নবী যেতে পারে।
নবীজির রুহ মোবারক নূর দ্বারা সৃষ্টি।
শরীর মোবারকও নূর দ্বারা সৃষ্টি।

২. ছুরুতে বাশারি মানবীয় শরীরে কোন ছায়া ছিল না কারন তা নূরের শরীর ছিল। এজন্য নবীজির দেহ মোবারকও নূরের ছিল।
আরেকটি কারণ হল নবীজির ছুরুত
মোবারক শয়তান ধারন করতে পারেনা।
কারণ নবীজির শরীর মোবারক নূর ছিল।
হাদিসে এসেছে-
ﻋﻦ ﺍﺑﻰ ﻫﺮﻳﺮﺓ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﺍﻥ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ ﻣﻦ ﺭﺍﻧﻰ ﻓﻰ ﺍﻟﻤﻨﺎﻡ ﻓﻘﺪ ﺭﺍﻧﻰ ﻓﺎﻥ ﺍﻟﺸﻴﻄﺎﻥ ﻻﻳﺘﻤﺜﻞ ﻓﻲ ﺻﻮﺭﺗﻰ .
অর্থ- হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে
বর্ণিত, নিশ্চয়ই নবীজি (সাঃ) বলেছেন, যে
আমাকে যে স্বপ্নে দেখল সে সত্যিই
আমাকে দেখেছে। কেননা শয়তান
আমার ছুরুত ধারণ করতে পারে না।
(মিশকাত শরীফ ৩৯৪ পৃষ্ঠা)
নবীজি (সাঃ) নূরের মানুষ ছিলেন। কারন
নবীজি (সাঃ)এর শরীর মোবারক এর কোন
ছায়া ছিল না।
হাদিসে রয়েছে-
ﻋﻦ ﺫﻛﻮﺍﻥ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ ﺍﻥ ﺭﺳﻮﻝ
ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﻳﺮﻯ
ﻟﻪ ﻇﻞ ﻓﻰ ﺷﻤﺲ ﻭﻻ ﻗﻤﺮ .
(জুরকানী শরীফ ৪র্থ খন্ড ২২০ পৃষ্ঠা)
অর্থ- হযরত জাকওয়ান (রাঃ) থেকে
বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রখর রোদে এবং
চাঁদের আলোতেও নবীজি (সাঃ)এর শরীর
মোবারকের কোন ছায়া ছিল না।

৩. ছুরুতে মালাইকি ফেরেস্তার সামনে প্রকাশ হয়েছে।
হযরত রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লামের রূপ বা অবস্থা বা ছুরুত তিনটি যথাঃ-
১। ছুরতে বাশারী,
২। ছুরতে মালাকী ও
৩। ছুরতে হাক্কী।
(তাফসীরে রুহুল বয়ান ও তাফসীরে কাদেরী)।
সাধারণ মানুষ শুধু দেখতে পায়
বাশারী ছুরতটি। অন্য দুটি ছুরত বা
অবস্থা খাস লোক ছাড়া দেখা ও
অনুধাবন করা সম্ভব নয়।

আরো পড়ুনঃ 

Related posts

Leave a Comment