আটরশি সম্পর্কে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্র পত্রিকার মতামত

আটরশি সম্পর্কে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্র পত্রিকার মতামত
১৩৫৪ বাংলা।
বিশ্বওলী হযরত খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেব ফরিদপুরের আটরশিতে আগমন করেন।
তার পর আটরশি, সাতরশি, চৌদ্দরশি, সাড়ে সাত রশি, পার্শবর্তী থানা, তারপর সারা দেশ, সর্বশেষে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে মুক্তি কামী শান্তি কামি, ইসলাম প্রিয় মানুষ আসতে শুরু করে ” জাকের ক্যাম্পে “।
ধীরে ধীরে তা আজকের ” বিশ্ব জাকের মঞ্জিল ” নামে রূপ নেয়।
সেই সময় জাতী যখন গভীর সংকটে তখন আমার পীর কেবলাজান হুজুর সহজে এগুলোর সমাধান করে দেন। সারা পৃথিবী থেকে বড় বড় সাংবাদিক, পন্ডিত ব্যক্তিরা ছুটে আসে এক নজর হুজুর কেবলাজানকে দেখতে। বিখ্যাত এসব সংবাদ পত্রের রিপোর্ট গুলো নিম্নে দেয়া হলোঃ
“Shah Sufi Faridpuri Has Been Preaching The Simple Virtues Of Spiritual Purity.”
– The Economist (London) Feb. 26.1983
“When This Unassuming Muslim Pir (Holy Man) Speaks From His Home In Atrodhi, The Country Listens.”
– The Far Eastern Economic Review, April 7, 1983.
“ক্ষমতাবান আর ক্ষমতাহীন, ধনী এবং নির্ধন, মজুর, চাষী, ছাত্র-শিক্ষক, আমলা-কেরানী, রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী, সৈনিক, সেনাপতি, সমাজের সর্বস্তরে সর্বপেশার মানুষ আসে এখানে (আটরশি দরবারে প্রতিদিন, প্রতিমাস, প্রতি বৎসর, একক ভাবে, দলে দলে হাজারে হাজারে এবং বৎসরের একটি সময়ে লাখে লাখে।”
-বিচিত্রা ১২ই ফেব্রুয়ারী’১৯৮২
“আটরশির পীর বাবার কাছে ধনী, দরিদ্র, উচ্চ, নীচ, হিন্দু-মুসলামান ভেদাভেদ নেই, আটরশি এখন সারা পৃথিবীর তীর্থক্ষেত্র, পীরবাবা বাংলাদেশের ভক্তি-সাধনার, ভাব সাধনার, এক কথায় বাংলাদেশের বাংগালীর হৃদয়ের মূর্তপ্রতীক”।
– যুগান্তর (কলিকাতা) ৩রা আগষ্ট’১৯৮৩
” রোগ, জরা, দুঃখ- দারিদ্র, অভাব-অনটনে বিপযর্স্ত ও হতাশাগ্রস্ত মানুষ তাঁর কাছে শান্তি ও আশ্বাসের আশায় ছুটে যাচ্ছে দলে দলে, বিশ্ব জাকের মঞ্জিল আজ এক তীর্থক্ষেত্র, মানব সম্মিলনের এক পবিত্র ভূমি।”
– সম্পাদকীয় ‘ বিপ্লব’ ২-৩-১৯৮৩
জাতী যখন সংকটময় পরিস্থিতে ছিলো তখন পীর কেবলাজানের দৃঢ পদক্ষেপে জাতীয় মুক্তি পায় সে সম্পর্কে “The Holiday” পত্রিকায় লিখা হয়,
” The new development in Bangladesh politics is Consequent upon The parly between President Sattar and Chief of The Army Staff Lt. Gen. H.M. Ershad Held on December 3 at Atroshi the mecca of Bangladesh polities For some years.”
“It is Gathered That the impasse arising out of the demands put foreward by The Army chief through a Spectacular press statement was finally ended at atroshi during the visit of president Sattar in the company Of Lt. Gen. Ershad”
-The Holday 6th December’1981
” জেনারেল এরশাদের ক্ষমতা গ্রহনের পরে সাত মাস অতিবাহিত হবার পরে (৮২) এই সরকার সমালোচকদের সকল ভবিষ্যৎবানী ব্যর্থ করে স্থায়ী রয়েছে। তবে এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারন সেনাবানীর তৎকালীন প্রধান প্রধান কর্মকর্তাদের ধর্মীয় নেতা হযরত মাওলানা শাহ সূফী ফরিদপুরী সাহেবর প্রতি তাদের আনুগত্য। তাদের এই বন্ধন বস্তুতই নিবিড় এ কথা বলতে হবে।”
– ফার ইষ্টার্ন ইকোনমিক রিভিয়্যু।
” এই মুসলিম সাধক (আটরশির পীর সাহেব) যে সকল উপদেশ দেন তা যে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত তার অনুসারীদের সুবিধার জন্য তা নয়। অনেক ক্ষেত্রে এই সাধকের উপদেশ তাদের মতানুযায়ী হয় না। হয় দেশের জনগনের ইচ্ছায় ও আকাংখার পরিপূরক। সৎ ও ন্যায় নীতি সবাইকে মেনে চলতে উপদেশ দেন।”
– London Times Reporters Micle Himilen ‘1984
“Shah Sufi Faridpuri, a Highly popular Muslim sanit disagrees with his military devotees on power sharing”
-Far Eastern economic Revenue
কোলকাতার যুগান্তর পত্রিকার বিখ্যাত সাংবাদিক মিহির রঞ্জন চৌধুরী ৩/৮/১৯৮৩ ইংতে একটি ফিচার লিখেন,
” ঈদের আগের দিন ঢাকা থেকে ফরিদপুর জেলার আটরশিতে গেলাম পীর বাবাকে দর্শন করতে। আটরশির পীর বাবার কাছে ধনী, দরিদ্র, উচ্চ নীচ, হিন্দু মুসলামনে ভেদাভেদ নেই। আটরশি এখন সারা পৃথিবীর তীর্থ ক্ষেত্র।
সাম্প্রদায়িকতার উর্ধ্বে উঠে পীরবাবা যে নজির দেখালেন তা আমার মনের কোনো চিরদিনের একটা স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। আরও অবাক লাগল যখন দেখলাম পীর বাবার কাছে হিন্দু মুসলামন সকলে সমান। যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, পীর বাবা সকলকে সমান চোখে দেখেন। অামার জন্য তাঁর যেমন আর্শীবাদ, অন্যদের জন্যও তাই। এখানে উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশ সৃষ্টির পর সে দেশে কোনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয় নি।
বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের এক মিলন ক্ষেত্র পীর বাবা কেবলাজানের এই কর্মসাধনার অনন্ত বিশ্ব প্রকৃতিই হলো তাঁর লীলা নিকেতন। আটরশির পীরবাবা শুধু তাঁর মুরিদের ই বাবা না তিনি এখন বিশ্ববাসীর বাবা”।
“The Moulana (Hazrat Faridpuri) who preaches sufism, the mystical doctorine underpining the cultural revival of Islam said ” Vengeance and killings are by no means what Islam teaches, Relegious disunity….. must be stopped by tolerance and mutual understanding.”
– Reuters 14-3-83
বর্তমান যামানা মহা মসিবতের জামানা। সারা পৃথিবীতে অশান্তি আর অশান্তি। একটু শান্তির খোঁজে চলে আসুন, “শান্তির পথ বিশ্ব জাকের মঞ্জিল ” পাক দরবার শরিফে।

Related posts

Leave a Comment