ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সৃষ্টির ফাউন্ডেশন – শাহসূফী খাজাবাবা ফরিদপুরী (রাঃ) ছাহেব

  • আপডেট সময় : ১০:৪২:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ২৪০০ বার পড়া হয়েছে

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সৃষ্টির ফাউন্ডেশন - শাহসূফী খাজাবাবা ফরিদপুরী (রাঃ) ছাহেব sufibad24

Sufibad.com - সূফিবাদ.কম অনলাইনের সর্বশেষ লেখা পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শাহসূফী হযরত খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেব ফরমান, “হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সৃষ্টির ফাউন্ডেশন।” হযরত রাসূল (সাঃ)কে সৃষ্টি না করিলে মহান খোদাতায়ালা আসমান-জমিন তথা কোনো কিছুই সৃষ্টি করিতেন না। আল্লাহতায়ালা ফরমান,” [হে মুহাম্মদ (সাঃ]! আমি যদি আপনাকে সৃষ্টি না করিতাম, তাহা হইলে আসমান, জমিন তথা কিছুই সৃষ্টি করিতাম না।”

মহান খোদাতায়ালা পরিচিত হইবার মাধ্যম ই রাসূল (সাঃ)। রাসূল (সাঃ)কে সৃষ্টি না করিলে মহান খোদাতায়ালা গোপনই থাকিতেন।
মহান খোদাতায়ালা সর্বপ্রথম রাসূল (সাঃ) এঁর নূর মোবারক সৃষ্টি করেন সেই সম্পর্কে হযরত পীর কেবলাজান পবিত্র নসিহত শরীফের ৮ম খন্ডের ১১৮ নং পৃষ্টায় ফরমান, “হযরত আলী (কঃ) হইতে বর্নিত আছে, তিনি বলেনঃ আমি একদিন হযরত রাসূলে করীম (সাঃ) এর দরবারে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ আনসারী (রাঃ) আরজ করিলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদের বলুন, সর্বপ্রথম আল্লাহ কোন জিনিষ সৃষ্টি করিয়াছেন। হযরত নবী করীম (সাঃ) এরশাদ করিলেন- আল্লাহতায়ালা সর্বপ্রথম এক হাজার বৎসর ধরিয়া আমার নূর সৃষ্টি করিলেন। আমার সেই নূর আল্লাহর কুদরতে আল্লাহরই মর্যাদা প্রর্দশন করে এবং আল্লাহতায়ালার তাছবীহ, তাহলীল ও তাহার সমীপে সেজদায় রত থাকে। এই নূরই নূরে মুহাম্মদী।”

হযরত রাসূল (সাঃ) প্রথম সৃষ্টি তার কিছু প্রমানঃ

হযরত রাসূল (সাঃ) ফরমান, “আল্লাহ তায়ালা সর্বপ্রথম আমার নূর সৃষ্টি করিয়াছেন।” এই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় পৃথিবী এবং ইহার সংশ্লিষ্ট ও মধ্যস্থ যাবতীয় বস্তু সৃষ্টির পূর্বে নবী (সাঃ)কে সৃষ্টি করা হয়েছে।

নবী হিসাবেও তিঁনি প্রথম। যেমন রাসূল (সাঃ) ফরমান, “যখন আদম (আঃ) কাদা-মাটির মধ্যে অবস্থান করিতেছিলেন তখনও আমি নবীই ছিলাম।” এই হাদীস দ্বারা প্রমানীত হয় তিঁনি নবী হিসাবেও সর্বপ্রথম।

 তিঁনি প্রথম স্বীকৃতিদাতা। রূহের জগতে আল্লাহতায়ালা সকল রূহের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করিয়াছেন, “আমি কি তোমার প্রভু নয়? তখন সকলে বলিলাম, হ্যাঁ। আর এই হ্যাঁ শব্দটা আল্লাহর রসূল (সাঃ) প্রথম বলেছিলেন।

 হযরত রাসূল (সাঃ) ফরমান, “আল্লাহর প্রতি যে সর্বপ্রথম ঈমান আনয়ন করিয়াছে এবং তাঁহার নির্দেশ পালন করিয়াছে তাহাদের মধ্যেও আমিই সর্বপ্রথম।” এই হাদিস খানা প্রমান করেন হযরত রাসূল (সাঃ)-ই সর্বপ্রথম মহান খোদাতায়ালার উপর ঈমান আনয়ন করেন।

 হাশরের ময়দানে তিঁনিই সর্বপ্রথম উঠিবেন।

 হাশরের ময়দানে তিঁনিই প্রথম মহান খোদাতায়ালাকে সেজদা করার অনুমতি লাভ করবেন।

 তিঁনি ই সর্বপ্রথম শাফায়াতের দ্বার উন্মুক্ত করবেন।

 হযরত রাসূল (সাঃ) ফরমান, “আমিই সেই ব্যক্তি যাহাকে আল্লাহতায়ালা সর্বপ্রথম বেহেশতে প্রবেশের অনুমতি দিবেন।”

তাই কবি গাইতেন,
“আউয়ালে আখেরে নবী
জাহেরে বাতেনে নবী
জন্ম নিলেন মা আমেনার কোলে
হৃদয় খুলো নবীর দরুদ পড় দিলে দিলে।”

সেই দয়াল নবীর প্রেমের পূর্ণ চাঁদ আমার হযরত পীর কেবলাজান ছাহেব। আমার প্রানের বান্ধব গাইতেন,

“গাও হে মুসলীমগণ
নবী গুন গাওরে
পরাণ ভরিয়া সবে
সাল্লে আলা গাও রে।”

ইয়া রাসূলুল্লাহ!
আমি অতি ক্ষুদ্র সহায় সম্বলহীন,
তব দিদারের আশায় থাকি
ইয়া রাহমাতাল্লিল আলামিন

 

আরো পড়ুনঃ

ব্লগটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Discover more from Sufibad.Com - সূফীবাদ.কম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সৃষ্টির ফাউন্ডেশন – শাহসূফী খাজাবাবা ফরিদপুরী (রাঃ) ছাহেব

আপডেট সময় : ১০:৪২:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

শাহসূফী হযরত খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেব ফরমান, “হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সৃষ্টির ফাউন্ডেশন।” হযরত রাসূল (সাঃ)কে সৃষ্টি না করিলে মহান খোদাতায়ালা আসমান-জমিন তথা কোনো কিছুই সৃষ্টি করিতেন না। আল্লাহতায়ালা ফরমান,” [হে মুহাম্মদ (সাঃ]! আমি যদি আপনাকে সৃষ্টি না করিতাম, তাহা হইলে আসমান, জমিন তথা কিছুই সৃষ্টি করিতাম না।”

মহান খোদাতায়ালা পরিচিত হইবার মাধ্যম ই রাসূল (সাঃ)। রাসূল (সাঃ)কে সৃষ্টি না করিলে মহান খোদাতায়ালা গোপনই থাকিতেন।
মহান খোদাতায়ালা সর্বপ্রথম রাসূল (সাঃ) এঁর নূর মোবারক সৃষ্টি করেন সেই সম্পর্কে হযরত পীর কেবলাজান পবিত্র নসিহত শরীফের ৮ম খন্ডের ১১৮ নং পৃষ্টায় ফরমান, “হযরত আলী (কঃ) হইতে বর্নিত আছে, তিনি বলেনঃ আমি একদিন হযরত রাসূলে করীম (সাঃ) এর দরবারে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ আনসারী (রাঃ) আরজ করিলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদের বলুন, সর্বপ্রথম আল্লাহ কোন জিনিষ সৃষ্টি করিয়াছেন। হযরত নবী করীম (সাঃ) এরশাদ করিলেন- আল্লাহতায়ালা সর্বপ্রথম এক হাজার বৎসর ধরিয়া আমার নূর সৃষ্টি করিলেন। আমার সেই নূর আল্লাহর কুদরতে আল্লাহরই মর্যাদা প্রর্দশন করে এবং আল্লাহতায়ালার তাছবীহ, তাহলীল ও তাহার সমীপে সেজদায় রত থাকে। এই নূরই নূরে মুহাম্মদী।”

হযরত রাসূল (সাঃ) প্রথম সৃষ্টি তার কিছু প্রমানঃ

হযরত রাসূল (সাঃ) ফরমান, “আল্লাহ তায়ালা সর্বপ্রথম আমার নূর সৃষ্টি করিয়াছেন।” এই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় পৃথিবী এবং ইহার সংশ্লিষ্ট ও মধ্যস্থ যাবতীয় বস্তু সৃষ্টির পূর্বে নবী (সাঃ)কে সৃষ্টি করা হয়েছে।

নবী হিসাবেও তিঁনি প্রথম। যেমন রাসূল (সাঃ) ফরমান, “যখন আদম (আঃ) কাদা-মাটির মধ্যে অবস্থান করিতেছিলেন তখনও আমি নবীই ছিলাম।” এই হাদীস দ্বারা প্রমানীত হয় তিঁনি নবী হিসাবেও সর্বপ্রথম।

 তিঁনি প্রথম স্বীকৃতিদাতা। রূহের জগতে আল্লাহতায়ালা সকল রূহের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করিয়াছেন, “আমি কি তোমার প্রভু নয়? তখন সকলে বলিলাম, হ্যাঁ। আর এই হ্যাঁ শব্দটা আল্লাহর রসূল (সাঃ) প্রথম বলেছিলেন।

 হযরত রাসূল (সাঃ) ফরমান, “আল্লাহর প্রতি যে সর্বপ্রথম ঈমান আনয়ন করিয়াছে এবং তাঁহার নির্দেশ পালন করিয়াছে তাহাদের মধ্যেও আমিই সর্বপ্রথম।” এই হাদিস খানা প্রমান করেন হযরত রাসূল (সাঃ)-ই সর্বপ্রথম মহান খোদাতায়ালার উপর ঈমান আনয়ন করেন।

 হাশরের ময়দানে তিঁনিই সর্বপ্রথম উঠিবেন।

 হাশরের ময়দানে তিঁনিই প্রথম মহান খোদাতায়ালাকে সেজদা করার অনুমতি লাভ করবেন।

 তিঁনি ই সর্বপ্রথম শাফায়াতের দ্বার উন্মুক্ত করবেন।

 হযরত রাসূল (সাঃ) ফরমান, “আমিই সেই ব্যক্তি যাহাকে আল্লাহতায়ালা সর্বপ্রথম বেহেশতে প্রবেশের অনুমতি দিবেন।”

তাই কবি গাইতেন,
“আউয়ালে আখেরে নবী
জাহেরে বাতেনে নবী
জন্ম নিলেন মা আমেনার কোলে
হৃদয় খুলো নবীর দরুদ পড় দিলে দিলে।”

সেই দয়াল নবীর প্রেমের পূর্ণ চাঁদ আমার হযরত পীর কেবলাজান ছাহেব। আমার প্রানের বান্ধব গাইতেন,

“গাও হে মুসলীমগণ
নবী গুন গাওরে
পরাণ ভরিয়া সবে
সাল্লে আলা গাও রে।”

ইয়া রাসূলুল্লাহ!
আমি অতি ক্ষুদ্র সহায় সম্বলহীন,
তব দিদারের আশায় থাকি
ইয়া রাহমাতাল্লিল আলামিন

 

আরো পড়ুনঃ