ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাসূল (সাঃ) এর যে নামাজ আল্লাহ্‌র কাছে অধিক পছন্দ

  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ২৩৯৭ বার পড়া হয়েছে

রাসূল (সাঃ) এর যে নামাজ আল্লাহ্‌র কাছে অধিক পছন্দ

Sufibad.com - সূফিবাদ.কম অনলাইনের সর্বশেষ লেখা পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাসূল (সাঃ) একদিন মসজিদ এ নববীতে আসরের নামাজ পড়াচ্ছিলেন ।
নবীজী (সাঃ) যখন সেজদায় গেলেন , হঠাৎই হযরত ইমাম হোসেন (আঃ) তাঁর প্রিয় নানাজীর (সাঃ) পিঠের উপর উঠে বসে পড়লেন ।
ছোট্ট নাতি খেলার ছলে নানার পিঠে উঠে পড়েছে ।

সেজদাকালীন সময় মহানবী (সাঃ) নাতি হোসেনকে (আঃ) পিঠ থেকে নামাতেও পারছেন না । পাছে পিঠ থেকে পড়ে গিয়ে নাতি যদি ব্যাথ্যা পায় ! কেননা ছোট্ট দুই নাতি ইমাম হাসান (আঃ) ও ইমাম হোসেনকে (আঃ) মহানবী (সাঃ) প্রচন্ড মহব্বত করতেন । তাঁদেরকে কেউ কষ্ট দিলে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) অন্তরে খুব ব্যাথ্যা পেতেন। এদিকে নাতিও পিঠ থেকে নামছেন না ।

মহানবীর (সাঃ) সেজদাও প্রলম্বিত হচ্ছে । সেজদা এতটাই দীর্ঘায়ীত হচ্ছিল যে , অনেক সাহাবী তখন নিজ সেজদা থেকে মাথা খানিক উঁচু করে দেখছিল যে , এরকম অস্বাভাবিক দেরী হচ্ছে কেন ? যারাই মাথা তুলছিলেন তারাই দেখছিলেন যে , এক নূরের উপরে আরেক ছোট্ট নূর সওয়ারী হয়েছে । তৎক্ষনাত তারা পুনরায় সেজদাতে চলে গেলেন যতক্ষন নবীজী (সাঃ) নিজে সেজদা থেকে না উঠছেন । ইতিহাস বলে যে , প্রায় সত্তর বার মহানবী (সাঃ) “সুবহানা রাব্বিয়াল আলা” বলেছিলেন ।

এক পর্যায় রাসুল (সাঃ) সেজদা থেকে ওঠার জন্য মনস্থ করলেন । ঠিক তখনই জীবরাইল (আঃ) হাজির হয়ে বললেন , “ইয়া রাসুল (সাঃ)! দয়া করে ততক্ষন পর্যন্ত আপনি সেজদা থেকে মাথা উঠাবেন না যতক্ষন ইমাম হোসেন (আঃ) আপন ইচ্ছায় আপনার পিঠ থেকে নেমে না পড়েন । কারন এই দৃশ্যটি মহান আল্লাহর খুব পছন্দ হয়েছে । শুধু আল্লাহ নিজে নন , আরশে আজীমে যারাই আছেন এমনকি সকল ফেরেশতাগনও এই দৃশ্যটি দেখছেন।

লেখকঃ সুজন শাহজী 

আরো পড়ুনঃ

 

ব্লগটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Discover more from Sufibad.Com - সূফীবাদ.কম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading

রাসূল (সাঃ) এর যে নামাজ আল্লাহ্‌র কাছে অধিক পছন্দ

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাসূল (সাঃ) একদিন মসজিদ এ নববীতে আসরের নামাজ পড়াচ্ছিলেন ।
নবীজী (সাঃ) যখন সেজদায় গেলেন , হঠাৎই হযরত ইমাম হোসেন (আঃ) তাঁর প্রিয় নানাজীর (সাঃ) পিঠের উপর উঠে বসে পড়লেন ।
ছোট্ট নাতি খেলার ছলে নানার পিঠে উঠে পড়েছে ।

সেজদাকালীন সময় মহানবী (সাঃ) নাতি হোসেনকে (আঃ) পিঠ থেকে নামাতেও পারছেন না । পাছে পিঠ থেকে পড়ে গিয়ে নাতি যদি ব্যাথ্যা পায় ! কেননা ছোট্ট দুই নাতি ইমাম হাসান (আঃ) ও ইমাম হোসেনকে (আঃ) মহানবী (সাঃ) প্রচন্ড মহব্বত করতেন । তাঁদেরকে কেউ কষ্ট দিলে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) অন্তরে খুব ব্যাথ্যা পেতেন। এদিকে নাতিও পিঠ থেকে নামছেন না ।

মহানবীর (সাঃ) সেজদাও প্রলম্বিত হচ্ছে । সেজদা এতটাই দীর্ঘায়ীত হচ্ছিল যে , অনেক সাহাবী তখন নিজ সেজদা থেকে মাথা খানিক উঁচু করে দেখছিল যে , এরকম অস্বাভাবিক দেরী হচ্ছে কেন ? যারাই মাথা তুলছিলেন তারাই দেখছিলেন যে , এক নূরের উপরে আরেক ছোট্ট নূর সওয়ারী হয়েছে । তৎক্ষনাত তারা পুনরায় সেজদাতে চলে গেলেন যতক্ষন নবীজী (সাঃ) নিজে সেজদা থেকে না উঠছেন । ইতিহাস বলে যে , প্রায় সত্তর বার মহানবী (সাঃ) “সুবহানা রাব্বিয়াল আলা” বলেছিলেন ।

এক পর্যায় রাসুল (সাঃ) সেজদা থেকে ওঠার জন্য মনস্থ করলেন । ঠিক তখনই জীবরাইল (আঃ) হাজির হয়ে বললেন , “ইয়া রাসুল (সাঃ)! দয়া করে ততক্ষন পর্যন্ত আপনি সেজদা থেকে মাথা উঠাবেন না যতক্ষন ইমাম হোসেন (আঃ) আপন ইচ্ছায় আপনার পিঠ থেকে নেমে না পড়েন । কারন এই দৃশ্যটি মহান আল্লাহর খুব পছন্দ হয়েছে । শুধু আল্লাহ নিজে নন , আরশে আজীমে যারাই আছেন এমনকি সকল ফেরেশতাগনও এই দৃশ্যটি দেখছেন।

লেখকঃ সুজন শাহজী 

আরো পড়ুনঃ