কোরআন ও হাদিসের আলোকে মিলাদ-কিয়াম ২য় পর্ব
মুসলমানের ঈদ কয়টি?
- আপডেট সময় : ০৬:২০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
- / ২৮৭০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সমাজে কিছু সংখ্যক ওহাবী আকিদা সম্পন্ন লোকদের ধারণা হলো: মুসলমানের ঈদ মাত্র দু’টি। তারা বলে থাকেন, ঈদে মিলাদুন্নবী কোথায় পেল? কিন্তু তাদের জানা উচিত যে, পবিত্র কোরআন ও হাদিস থেকে প্রমাণিত আছে, মুসলমানের ঈদ হলো ন্যূনতম মোট পাঁচটি। যথা:
১. ঈদুল ফিতরের দিন
২. ঈদুল আযহার দিন
৩. আরাফার দিন
৪. জুমআর দিন
৫. ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) এর দিন
প্রতিটি ঈদের কথা পবিত্র কোরআন ও সহিহ সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত আছে। নিচের এ বিষয়ের দলিল-আদিল্লাহগুলো লক্ষ্য করুন:
প্রথম ঈদ: জুমআর দিন
সহিহ হাদিস থেকে জানা যায়, মুসলমানের একটি ঈদের দিন হলো ‘ইয়াওমুল জুমআ’ তথা জুমআর দিন। অর্থাৎ জুমআর দিন মুসলমানের জন্য ঈদের দিন। যেমন নিচের হাদিসটি লক্ষ্য করুন:
حدثنا عمار بن خالد الواسطي قال: حدثنا علي بن غراب، عن صالح بن أبي
الأخضر، عن الزهري، عن عبيد بن السباق، عن ابن عباس رضي الله تعالى عنهما، قال:
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: “إن هذا يوم جعله الله للمسلمين عيدًا”.
– হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলে পাক (দঃ) এক জুমআর দিন বললেন:
“এই দিনকে আল্লাহ তাআলা মুসলমানদের জন্য ঈদ হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।”
এই হাদিসের সনদ সম্পূর্ণ সহিহ। এ বিষয়ে অপর হাদিসে উল্লেখ আছে:
حدّثنا عامر بن شراحيل الشعبي، عن أبي هريرة رضي الله تعالى عنه، قال:
سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: “إن يوم الجمعة يوم عيد”.
– হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলে করিম (দঃ) কে বলতে শুনেছি:
“নিশ্চয় জুমআর দিন ঈদের দিন।”
هذا حديث صحيح الإسناد، كما قال الإمام السيوطي رحمه الله.
– অর্থাৎ, “এই হাদিসের সনদ সহিহ।”
এ বিষয়ে আরেকটি রেওয়ায়েত রয়েছে:
ذكره ابن شاهين في الصحابة، وروى بسنده إلى أسد بن موسى، عن معاوية بن صالح، عن أبي بشر: مؤذن دمشق، عن عامر بن لُدَين الأشعري، قال:
سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: “إن يوم الجمعة عيدكم”.
– সাহাবী হযরত আমের ইবনে লুদাইন আল-আশআরী (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল (দঃ) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন:
“নিশ্চয় জুমআর দিন তোমাদের ঈদের দিন।”
এই হাদিস সম্পর্কে ইমাম হায়ছামী (রঃ) বলেন:
رواه البزار، وإسناده حسن.
– অর্থাৎ, “ইমাম বাজ্জার হাদিসটি বর্ণনা করেছেন, এবং এর সনদ হাসান।”
আরও একটি হাদিস রয়েছে:
أخبرنا أبو سعد الماليني، أخبرنا أحمد بن محمد بن سعيد، ثنا محمد بن عبد الله بن يزيد، عن عبد الله بن عبد العزيز بن إبراهيم بن يزيد بن عبد الله بن قُسَيط، عن عبد الرحمن بن أبي سعيد، ثنا محمد بن إبراهيم، عن أبي هريرة رضي الله عنه قال:
اجتمع في عهد النبي صلى الله عليه وسلم عيدان، فقال: “إنه قد اجتمع عيدان، هذا عيدكم، والجمعة”.
– হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (দঃ) এর যুগে দুইটি ঈদ একত্রে হয়েছিল। তখন রাসূল (দঃ) বললেন:
“নিশ্চয়ই দুই ঈদ একত্রিত হয়েছে, একটি হল এই (ঈদুল ফিতর) এবং আরেকটি হচ্ছে জুমআর দিন।”
আরো পড়ুন:“আমি তোমাদের কারো মত নই।” হাদিসটির পর্যালোচনা
অতএব, উল্লেখিত হাদিসসমূহ দ্বারা স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়, মহান আল্লাহ পাক এবং তাঁর প্রিয় রাসূল (দঃ) উম্মতের জন্য জুমআর দিনকে ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। তাই প্রসিদ্ধ পর্যায়ের হাদিস দ্বারা জুমআর দিন ঈদের দিন হিসেবে প্রমাণিত। লক্ষ্য করুন! যারা বলে থাকে মুসলমানের মাত্র ২টি ঈদ, তাদের প্রতি আমার প্রশ্ন—স্বয়ং আল্লাহ তাআলার নির্ধারিত ও নবী করিম (দঃ) ঘোষিত জুমআর দিনকে ঈদের হিসাব থেকে আপনি কোন স্পর্ধায় বাদ দিবেন?
দ্বিতীয় ঈদ: আরাফার দিন
ছহীহ হাদীস মোতাবেক মুসলমানদের জন্য দ্বিতীয় ঈদের দিন হলো আরাফার দিন। যেমন এ বিষয়ে হাদীস শরীফে এসেছে:
نَا َعْبدُ ْب ُن ُح َمْيٍد، قَا َل: َحدَّثنَا َزيدُ ْب ُن َها ُرو َن، قَا َل: َأَخْبَرَنَا َح َّمادُ ْب ُن َسلَ َمة، عَنْ أَبِي ُج َمْي ٍل، عَنْ َعْبِد اللهِ ْب ِن عُ َمر، قَالَ:
قَرَأْتُ لِابْنِ عَبَّاسٍ هَذِهِ الْآيَةَ: {الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا}، وَعِنْدَهُ يَهُودِيٌّ، فَقَالَ الْيَهُودِيُّ: لَوْ أُنْزِلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ فِينَا، لَاتَّخَذْنَا ذَلِكَ الْيَوْمَ عِيدًا، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: إِنَّهَا نَزَلَتْ فِي يَوْمِ جُمُعَةٍ وَيَوْمِ عَرَفَةَ.
হযরত আম্মার ইবনে আবী আম্মার (রহঃ) বলেন, হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) তেলাওয়াত করলেন:
“الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ…” তখন তাঁর পাশে এক ইহুদি বসা ছিল। সে বলল, “যদি এই আয়াত আমাদের উপর নাজিল হতো, আমরা সেই দিনটিকে ঈদের দিন বানাতাম।”
ইবনে আব্বাস (রাঃ) বললেন, “এই আয়াতটি এমন এক দিনে নাজিল হয়েছে যেদিন ছিল মুসলমানদের জন্য দুই ঈদ—একটি ছিল জুমার দিন, অপরটি ছিল আরাফার দিন।”
এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয়, আরাফার দিন ও জুমার দিন মুসলমানদের ঈদের দিন।
আফসোস! কিছু ওহাবী গোষ্ঠী এ দুটি ঈদের উল্লেখই করেন না, অথচ রাসূলুল্লাহ (সঃ) ও সাহাবায়ে কেরাম এ ঈদ দুটির কথাও বলেছেন। তাহলে কি তারা রাসূল (সঃ)-এর কিছু কথা মানে, আর কিছু অস্বীকার করে? সুতরাং “মুসলমানের ঈদ দুটি মাত্র”—এই কথা ভিত্তিহীন এবং কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী।
এ বিষয়ে নিচের আরেকটি হাদীস লক্ষ্য করুন:
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيل، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ النُّعْمَانِي، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ السُّلَمِي، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُسْلِمٍ الْقُرَشِيُّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، قَالَ:
قَالَ رَجُلٌ مِّنَ الْيَهُودِ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، آيَةٌ فِي كِتَابِكُمْ تَقْرَءُونَهَا، لَوْ عَلَيْنَا مَعْشَرَ الْيَهُودِ نَزَلَتْ، لَاتَّخَذْنَا ذَلِكَ الْيَوْمَ عِيدًا، قَالَ: أَيَّ آيَةٍ؟ قَالَ: {الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ…}
فقال عمر: قد عرفنا ذلك اليوم والمكان الذي نزلت فيه على النبي صلى الله عليه وسلم وهو قائم بعرفة يوم جمعة، وأشار عمر إلى أنه عيدٌ لنا.
এই হাদীস থেকেও স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, হযরত উমর (রাঃ) ও সাহাবায়ে কেরামের মতে, আরাফার দিন এবং জুমার দিন মুসলমানদের ঈদের দিন।
এমনকি হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন:
نَزَلَتْ فِي خَمْسَةِ أَعْيَادٍ: يَوْمُ الْجُمُعَةِ، وَيَوْمُ عَرَفَةَ، وَعِيدُ الْيَهُودِ، وَعِيدُ النَّصَارَى، وَعِيدُ الْمَجُوسِ.
“এই আয়াত পাঁচটি ঈদের দিনে নাজিল হয়েছে:
১. জুমার দিন
২. আরাফার দিন
৩. ইহুদীদের ঈদ
৪. নাসারাদের ঈদ
৫. মজুসীদের ঈদ”
এ হাদীস দ্বারা আরও পরিষ্কার হয়, জুমার দিন ও আরাফার দিন মুসলমানদের ঈদের দিন।
আর রাসূল (সঃ) জুমার দিন প্রসঙ্গে আরও বলেন:
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة قال: حدثنا يحيى بن أبي بكير قال: حدثنا زهير بن محمد، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن عبد الرحمن بن يزيد الأنصاري، عن أبي لبابة بن عبد المنذر، قال:
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: “إِنَّ يَوْمَ الْجُمُعَةِ سَيِّدُ الْأَيَّامِ، وَأَعْظَمُهَا عِنْدَ اللَّهِ، وَهُوَ أَعْظَمُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ يَوْمِ الْأَضْحَى وَيَوْمِ الْفِطْرِ…”
“জুমার দিন হলো সকল দিনের সর্দার এবং আল্লাহর কাছে সবচেয়ে সম্মানিত দিন। এমনকি তা ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের চেয়েও উত্তম।”
সুতরাং মুসলমানদের কেবল দুটি ঈদ আছে বলা সম্পূর্ণ ভুল। রাসূল (সঃ) ও সাহাবায়ে কেরাম জানতেন যে, মুসলমানদের আরও ঈদ রয়েছে। আর ওহাবীরা বলে, আর কোনো ঈদ নেই (নাউযুবিল্লাহ)।
তৃতীয় ঈদ: ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় আনন্দ বা খুশির দিন হলো—তাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পৃথিবীতে আগমনের দিন, যাকে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) বলা হয়। এ বিষয়টি সরাসরি কোরআন থেকেও প্রমাণিত। যেমন, আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন:
قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوا
– “বলুন! আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর রহমতের কারণে তারা যেন আনন্দ করে।”
(সূরা ইউনুস: ৫৮)
এই আয়াতে আল্লাহ তা’আলা নির্দেশ দিয়েছেন—যখন কেউ তাঁর রহমত লাভ করে, তখন সে যেন খুশি বা ঈদ পালন করে। আর আমরা সকলেই জানি যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) হলেন সারা জাহানের জন্য রহমত। আল্লাহ বলেন:
وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ
– “আমি আপনাকে সমগ্র জগতের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছি।”
(সূরা আম্বিয়া: ১০৭)
সুতরাং সবচেয়ে বড় রহমত, বরং ‘রহমতেরও রহমত’ হলেন রাহমাতুল্লিল আলামিন হযরত মুহাম্মদ (সা.)।
এই আয়াতের তাফসিরে সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈনগণ ব্যাখ্যা করেছেন যে, “রহমত” বলতে এখানে নবী মুহাম্মদ (সা.)-কেই বোঝানো হয়েছে। যেমন হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন:
“الفَضْلُ العِلْمُ، وَالرَّحْمَةُ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ”
“ফজল হল জ্ঞান আর রহমত হলেন মুহাম্মদ (সা.)।”
(তাফসিরে আবু হাইয়ান আন্দালুসী, মৃত্যু: ৭৪৫ হিঃ)
ইমাম ইবনে কাছীর (রহ.) তাঁর কিতাবে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর এক হাজার উপাধির মধ্যে একটি উল্লেখ করেছেন:
النَّبِيُّ الرَّحْمَةُ – রহমতের নবী।
হাদিস শরীফেও “রহমতের নবী” বলে উল্লেখ আছে। যেমন, সুনানে ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ, তিরমিজি, তাবারানি প্রভৃতি কিতাবে বর্ণিত আছে—নবীজি (সা.) এক অন্ধ সাহাবীকে এভাবে দোয়া শিখিয়েছেন:
“اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ وَأَتَوَجَّهُ إِلَيْكَ بِنَبِيِّكَ مُحَمَّدٍ نَبِيِّ الرَّحْمَةِ…”
“হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করছি এবং আপনার দিকে ধরনা দিচ্ছি আপনার রহমতের নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর উসিলায়।”
এ আয়াতের তাফসিরে বিশিষ্ট হানাফি ফকিহ ও মুফাসসির আল্লামা মাহমুদ আল-আলূসী (রহ.) বলেন:
“والمشهور وصف النبي صلى الله عليه وسلم بالرحمة كما يرشد إليه قوله تعالى: وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ”
– “রহমত শব্দটি নবীজিকে বর্ণনা করার জন্য প্রসিদ্ধ, যেমন আল্লাহ বলেন: ‘আমি আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।’”
ঈদ শব্দের ব্যাখ্যা:
আল্লাহ বলেন: فَلْيَفْرَحُوا – “তারা যেন খুশি হয়।”
এখানে “ফারাহ” (فرحٌ) শব্দটি “ঈদ” শব্দের একটি সমার্থক। কারণ, ঈদ মানেই আনন্দ ও খুশি প্রকাশ করা।
নেওয়ামতের উপলক্ষে ঈদ পালন করা কোরআনের শিক্ষা:
পবিত্র কোরআনেই এসেছে, যখন হযরত ঈসা (আঃ) তাঁর উম্মতের জন্য আসমান থেকে খাবার চেয়েছিলেন এবং তা নাজিল হওয়ার পর তাঁরা সে দিনকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। আল্লাহ বলেন:
قَالَ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا أَنْزِلْ عَلَيْنَا مَائِدَةً مِّنَ السَّمَاءِ تَكُونُ لَنَا عِيدًا لِّأَوَّلِنَا وَآخِرِنَا
– ঈসা ইবনে মরিয়ম বললেন: হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আকাশ থেকে একটি খাবারের খঞ্জা নাজিল করুন, যা আমাদের পূর্বসূরি ও পরবর্তীদের জন্য ঈদ হয়ে থাকবে।
(সূরা মায়েদা: ১১৪)
আকাশ থেকে খাবার নাজিল হওয়ার দিন যদি ঈদ হিসেবে পালিত হতে পারে, তাহলে সেই নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমনের দিন, যাঁর বরকতে এই সব নেয়ামত সৃষ্টি হয়েছে, সেই দিন যে ‘মহা ঈদ’ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি হলেন সৃষ্টি জগতের সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত।
(বি:দ্র: টাইপিং এর কারণে আরবি লেখাগুলো ভুল বা এলোমেলো থাকতে পারে বা রয়েছে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থী)
আরো পড়ুন:















